যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে। কিন্তু আমি তো চুল বাঁধিনা। তেমন শখ এখনো হয়নি। তাহলে কি বলা যায় “যে রাঁধে সে দাড়িও কাটে”?
আমাদের মত তথ্যপ্রযুক্তির ছাপোষা মধ্যবিত্তদের চাকরিসূত্রে মাঝে মধ্যে বিদেশে পাড়ি দিতে হয়। না না ওখানে আমরা কি ভাবে থাকি তা এখন না বলাই ভালো।
বরং আমাদের বিদেশে থাকার আর বিদেশী মুদ্রায় আয়ের নকল গর্ববোধটা আমাদের বাড়ির লোকের জন্য সযত্নে তোলা থাক।
তবে বিদেশে যে যাই করুক, রান্নাটা নিজেকেই সামলাতে হয়। সেজন্য তো নিয়মিত অনুশীলন প্রয়োজন। কে জানে কখন আবার ডাক পড়ে। সকাল থেকে ঠিকঠাক কিছু করার না পেয়ে এমন বিরক্ত হয়েছিলাম যে computer এ Google খুলেও ভাবতে হল যে এবার কি search করি!!!
এহেন অবস্থার থেকে মুক্তি পেতেই চলে গেলাম হেঁশেলে। বলেই ফেললাম “আজ chicken” টা আমি রাঁধবো”। ব্যাস আর যায় কোথায়? কোনো কথা না বাড়িয়ে গৃহকত্রীও এমন সুযোগ তাও আবার রবিবার, তা উপলব্ধি করে হেঁশেল ছেড়ে দিলেন। আমিও অনুশীলনের অছিলায় বিরক্তি কাটাতে chicken কষা রেঁধেই ফেললাম। এবার পরীক্ষার পালা। নিজ রন্ধনের বাহবা কার না ভালো লাগে? কিছুক্ষণ পরেই result, যাই স্নান করে খেতে বসি।
এই যাঃ!!! রবিবারটা যে সমস্ত social media থেকে দূরে থাকবো ঠিক করেছিলাম! দেখেছো কেমন নেশা হয়েছে! না এবার পালাই।।। পরে result জানাবো।।। ![]()



