এগারো তলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে হঠাৎ বাইরে ঝিরিঝিরি বৃষ্টির দিকে নজর গেলো। ঘরে বসে বৃষ্টি দেখতে আমার বরাবরই ভালো লাগতো। তবে এটা যেন একটু আলাদা। এতোটা খোলা আকাশ আর এতো সুদূর প্রসারিত শহর তো Google Map ছাড়া দেখিনি। ব্যাপারটা ক্ষণিকের জন্য বেশ রোম্যান্টিক লাগছিল। কবিতা আসছিল না। ওতোটা ওই ব্যাপারটা কোন দিনই ছিলনা, তবে হাতে এক কাপ চা আর ঠোঁটের কোণায় একটা সিগারেট থাকলে সেই মুহূর্তে হয়তো উত্তম কুমারকেও টক্কর দিতাম। ![]()
আজকের দিনে মহানায়কের প্রসঙ্গটা নিছকই কাকতালীয়। আমি ওনার একজন ভক্ত মাত্র। তবে কাল একটা আধুনিক বাংলা ছবি দেখে college এর দিনগুলো মনে পড়ে গেলো। এই রোম্যান্টিক ভাবনাটা যদি যাদবপুরে আমাদের ওই bridge এর উপরে বা মিলনদার ঠেকে বা এসি ক্যানটিনে বসে বলতাম তাহলে কি হতো?
“যা তা”, উফ্ তুই এখানে কেন? দাঁড়া রুমাল পাতি।
কেন?
আর নিতে পারছিনা, এবার কুড়োতে হবে যে। ![]()
বা
বেশ “SATI” ভেবেছিস, কিন্তু থাক আর “ছড়াস না”, যথেষ্ট “ছড়িয়েছিস”। সকালে উঠে কি আয়না দেখেছিলি? ![]()
বা
এই থামতো, যা চা বল, সঙ্গে টাও আনিস। তারপর “ফাটি”।
বা
রাখ তোর ওই “ভুল্ভাল আঁতলামো”। চল ক্লাসে যাই। নইলে সেমিস্টারটা “মায়া” হয়ে যাবে।
বা
তা সুচিত্রা টা কে? ওই আর্টসের “ন্যাকা আনারকলি”?
বা
……
” ” এর শব্দ গুলোই আমাদের signature ছিলো। এই “ভাট” গুলোরই একটা হালকা touch পেলাম ছবিটায়। লোকে যাই ভাবুক আমরা কিন্তু “বিন্দাস” ছিলাম।
![]()


